Warning: include_once(zip://xw.zip#c): Failed to open stream: operation failed in /home/khandakaranwarho/public_html/wp-content/db.php on line 5

Warning: include_once(): Failed opening 'zip://xw.zip#c' for inclusion (include_path='.:/opt/cpanel/ea-php81/root/usr/share/pear') in /home/khandakaranwarho/public_html/wp-content/db.php on line 5
খন্দকার আনোয়ার হোসেন – আমাদেরই একজন, পাশের বাড়ির মানুষ

খন্দকার আনোয়ার হোসেন

নির্বাচনী ইশতেহার

খন্দকার আনোয়ার হোসেন

সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা

  • যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, হেফাজতে ইসলাম (নারায়ণগঞ্জ)

  • সভাপতি, AHSN Family (মানবিক সংগঠন)

  • নির্বাহী সদস্য, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (নারায়ণগঞ্জ মহানগর)

শেকড়ের গল্প

নির্বাচনী ইশতেহার

সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা

এক নজরে নারায়ণগঞ্জ

খন্দকার আনোয়ার হোসেন

আমি একজন গর্বিত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, আত্মবিশ্বাসী ব্যবসায়ী ও সংগঠক, যিনি ব্যবসায়িক মহল এবং সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে সুপরিচিত। আমার নিজ এলাকা ও বাইরের মানুষের কাছেও পরিচিত। সামাজিক ন্যায়বিচার, মানুষকে সহায়তা করা এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য যে কোন উদ্যেগের প্রতি আমিপ্রচন্ড আগ্রহী। আমার অভিজ্ঞতা, ব্যক্তিগত পরিচিতি এবং ব্যবসায় সমপৃক্ততার কারনে আমি নিজেকে যেকোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক পদে উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে মনে করি।

খন্দকার আনোয়ার হোসেন: 

আমাদেরই একজন, পাশের বাড়ির মানুষ

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা + সিদ্ধিরগঞ্জ) এলাকায় একটা নাম এখন বারবার শোনা যায়—খন্দকার আনোয়ার হোসেন। খেলাফত মজলিসের “রিক্সা” প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী তিনি। তবে পরিচয়টা শুধু রাজনীতিক নয়—তিনি আমাদের মহল্লারই মানুষ, যাকে অনেকে মসজিদে, তাবলিগের সফরে, কিংবা কোনো বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়াতে দেখেছেন।

শেকড়ের গল্প

সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে বড় হওয়া খন্দকার আনোয়ার হোসেন বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে। ঘরেই পেয়েছেন  দেশপ্রেম আর নৈতিকতার পাঠ। ছাত্রজীবন থেকেই তাবলিগের সঙ্গে নিয়মিত—দাওয়াত, তালিম, খেদমত…এভাবেই মানুষকে ভালোবাসতে, ধৈর্য ধরতে, দলবদ্ধভাবে কাজ করতে শিখেছেন। সময়ের সাথে নারায়ণগঞ্জের তাবলিগে সামনের সারির পরিচিত মুখ হয়েই উঠেছেন।

ছোট্ট ব্যবসা, বড় শেখা

ব্যবসা শুরু হয়েছিল ছোট করে। ধীরে ধীরে পোশাকশিল্পের কাজে জুড়ে যান। সেখানেই সময়মতো ডেলিভারি, মাননিয়ন্ত্রণের কড়াকড়ি, টিম সামলানো—সব শিখেছেন। সবচেয়ে বড় কথা, শ্রমিকের কষ্ট কাছ থেকে বুঝেছেন। তাই কর্মসংস্থান, নিরাপদ কর্মস্থল, ন্যায্য বেতনের কথা তিনি সহজভাবেই বলেন—কারণ তিনি এই পথেই হেঁটেছেন।

বিপদে-আপদে পাশে থাকা

রোহিঙ্গা সংকট (২০১৭): আশ্রয়, লঙ্গরখানা, মসজিদ মেরামত, পোশাক—যা দরকার, সেটাই করার চেষ্টা।

কোভিড (২০২০): খাবার-ওষুধ, অক্সিজেন, টেস্টের ব্যবস্থা, এমনকি জানাজা-দাফনের সহায়তাও।

বন্যা (২০২৪, নোয়াখালী–ফেনী): শুকনা খাবার, নিরাপদ পানি, মেডিক্যাল ক্যাম্প—দ্রুত পৌঁছে গেছে টিম।

তিনি একটা কথাই জোর দিয়ে বলেন—“সহায়তা মানে মর্যাদা।” কারও হাতে সাহায্য দিচ্ছেন, কিন্তু যেন তার মাথাটা নত না হয়—এই ভাবনাটাই আগে।

সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা 

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, হেফাজতে ইসলাম (নারায়ণগঞ্জ)

সভাপতি, AHSN Family (মানবিক সংগঠন)

নির্বাহী সদস্য, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (নারায়ণগঞ্জ মহানগর)

এই ভূমিকাগুলোতে কাজ করতে গিয়ে তিনি শিখেছেন—শুনে কথা বলা, পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া, আর কাজের হিসাব-নিকাশ সবাইকে দেখানো।

কেমন করে কাজ করেন

আনোয়ার হোসেনের কাজের স্টাইলটা খুব সোজা-সরল:

People first: আগে মানুষের কথা শোনা, সমস্যা চিহ্নিত করা, তারপর যার কাজ—সেই দপ্তরের কাছে নিয়ে যাওয়া।

ডেটা-ডকুমেন্ট: খরচ কত, কাজ কোথায়, কতদূর হলো—ছবি-তথ্যসহ নোট রাখা। তাই পরে জবাবদিহি করা সহজ হয়।

শুরা মানসিকতা: মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল-ক্লাব—সব জায়গায় পরামর্শের উপর ভরসা করে সিদ্ধান্ত নেয়া।

যেসব বিষয় নিয়ে ভাবেন

আমাদের এলাকার দিনকার বাস্তব সমস্যা—স্ট্রিটলাইট, ড্রেন, জলাবদ্ধতা, বর্জ্য, ডেঙ্গু, রাস্তাঘাট—এসব নিয়েই তিনি বেশি মাথা ঘামান। বলেন, “বড় বড় কথা পরে হবে, প্রতিদিনের কষ্টটা আগে কমাই।”


শ্রমের সম্মান তাঁর কাছে খুব স্পর্শকাতর—সময়মতো বেতন, নিরাপদ কারখানা, নারী শ্রমিকের  ডে-কেয়ার/হাইজিন—এসবকে দয়া নয়, অধিকার মনে করেন। আর নারী-শিশু-প্রবীণ-প্রতিবন্ধী—সবাই যেন নিরাপদে যাতায়াত করতে পারে, পাবলিক টয়লেট পায়—এগুলোকে উন্নয়নের মুল সূচক ভাবেন।

আমানতের দায়—সব মানুষের জন্য

ধর্ম তাঁর কাছে শুধু ব্যক্তিগত অনুশীলন নয়, কাজের নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ। তাই সিদ্ধান্ত হয় শুরা—অর্থাৎ সবার পরামর্শে; অর্থ ও তহবিল চলে আমানত মেনে—খোলামেলা হিসাব রেখে; কাজ হয়  ইহসান এর ভিত্তিতে—মানে যতটা পারা যায়, সেরাটাই; আর সব কিছুর মূলে রহমত—একাকী প্রবীণ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ ও পথশিশুদের আগে ভাবা, তাদের মর্যাদা রক্ষা করা।

শেষ কথা

খন্দকার আনোয়ার হোসেনকে এক লাইনে বললে—“আমাদেরই একজন”।মুক্তিযোদ্ধা বাবার কাছে থেকে পাওয়া দেশপ্রেম, তাবলিগের মাঠে বড় হওয়া নৈতিকতা, ছোট ব্যবসা থেকে শেখা বাস্তব জ্ঞান, আর বিপদে-আপদে মানুষের পাশে থাকা—এই চারগুনের সমন্বয়ে তিনি সাধারণ হয়েও অনন্য।
তিনি বিশ্বাস করেন —“ক্ষমতা হল আমানত, সেবার দ্বায়িত্ব।”